ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পড়েছে জিম্বাবুয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রোববার শেষ ম্যাচ খেলার পরও তারা এখনই দেশে ফিরতে পারছে না। আপাতত দলটি ভারতে থাকছে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের আকাশপথ বন্ধ আছে। যার ফলে বিশ্বকাপের অনেক দেশই এখন পড়তে যাচ্ছে বিপাকে। টুর্নামেন্ট আয়োজকেরা জিম্বাবুয়ে এবং অন্য দলগুলোর ফেরার জন্য বিকল্প পথ খুঁজছে। জানা গেছে, জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড় ও স্টাফরা ভাগে ভাগে দেশে ফেরার কথা ছিল। আজ সোমবার (২রা মার্চ) ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে কিছু সদস্যের রওনা দেওয়ার কথা ছিল। বাকিরা পরে যাওয়ার কথা ছিল। তাদের টিকিট ছিল এমিরেটস এয়ারলাইন্সে। দিল্লি থেকে দুবাই হয়ে হারারে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এখন অন্য এয়ারলাইন্স ও অন্য রুট ভাবা হচ্ছে। দলটি ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত দিল্লির হোটেলে থাকার বুকিং করেছে।
ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা গেছে কি না, এমন প্রশ্নে জিম্বাবুয়ের কোচ জাস্টিন স্যামন্স বলেন, ‘না, আমি তেমন কিছু শুনিনি। আমরা যখন ম্যাচ শুরু করি তখন এমন কিছু ছিল না। এখন আমরা শুধু ম্যাচ নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। এরপর আর কিছু শুনিনি।’
এদিকে পাকিস্তান তাদের সুপার এইটের শেষ ম্যাচ খেলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। তারা কলম্বো থেকে শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে লাহোরে ফিরে গেছে।
শনিবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর পর পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি দেশের আকাশপথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সমস্যা তৈরি হয়। অনেক এয়ারলাইন্স ফ্লাইট বাতিল করে বা রুট বদলায়।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতি’ নজরে রাখছে এবং ‘সব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্ণাঙ্গ বিকল্প পরিকল্পনা চালু করেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনায় প্রভাব ফেলেনি। তবে আইসিসি স্বীকার করছে যে অনেক খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, ম্যাচ অফিসিয়াল, সম্প্রচারকর্মী ও ইভেন্ট স্টাফ উপসাগরীয় বিমানবন্দর, বিশেষ করে দুবাই (ডিএক্সবি), ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করেন। টুর্নামেন্ট শেষে নিজ নিজ দেশে ফেরার জন্য তারা এসব রুটের ওপর নির্ভরশীল।’
আইসিসি আরও জানায়, ‘আইসিসির ট্রাভেল ও লজিস্টিকস দল বড় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হাব ব্যবহার করে বিকল্প রুট খোঁজা হচ্ছে। আইসিসির নিরাপত্তা পরামর্শকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত পরামর্শ দেবে। একটি বিশেষ আইসিসি ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্কও চালু করা হয়েছে।’
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন