শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান *** একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা *** ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট *** বিমানের পরিচালক হিসেবে জয়েন করিনি: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব *** প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্ব পেলেন *** জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি *** ‘প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত’ *** এবার পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ‘উদ্বোধনী ব্যানার’ *** মানুষকে যাতে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে না হয়, ডাক্তারই মানুষের পেছনে ঘুরবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** সমঝোতার চাঁদা: একই যুক্তি অন্য খাতেও প্রয়োগের আশঙ্কা টিআইবির

ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যে কারণে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:১৮ অপরাহ্ন, ১২ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল তার দৈনন্দিন কাজে মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। গত শনিবার (১০ই জানুয়ারি) ‘বিকশিত ভারত ইয়াং লিডারস ডায়ালগ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী সেশনে তিনি এ কথা বলেছেন। খবর এনডিটিভির।

নয়াদিল্লির আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রদর্শনী কেন্দ্র ‘ভারত মণ্ডপ’–এর ওই অনুষ্ঠানে অজিত দোভালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সত্যিই কি তিনি মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট এড়িয়ে চলেন?

জবাবে দোভাল বলেন, ‘এটা সত্য যে আমি ইন্টারনেট ব্যবহার করি না। পারিবারিক বিষয় বা বিদেশে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন ছাড়া আমি ফোনও ব্যবহার করি না। এভাবেই আমি আমার কাজ করে থাকি। যোগাযোগের আরও অনেক উপায় আছে এবং কিছু বাড়তি ব্যবস্থা থাকতে হয়, যেগুলোর বিষয়ে মানুষ অবগত নয়।’

অজিত দোভাল বর্তমানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ পদে তিনি পঞ্চম ব্যক্তি। অজিত দোভাল একজন অবসরপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (আইপিএস) কর্মকর্তা। কয়েক দশক ধরে গোয়েন্দা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমন–সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

উত্তরাখন্ডে ১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া অজিত দোভাল ১৯৬৮ সালে আইপিএস কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করেন। সাহসিকতার জন্য কনিষ্ঠতম পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ‘কীর্তি চক্র’ পুরস্কার পান। কর্মজীবনে তিনি মিজোরাম, পাঞ্জাব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

অজিত দোভাল ভারতের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। এর মধ্যে ২০১৬ সালে (পাকিস্তান–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে) সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এবং ২০১৯ সালে (পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের) বালাকোটে বিমান হামলা অন্যতম। এ ছাড়া তিনি চীনের সঙ্গে দোকলাম সংকট ব্যবস্থাপনা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তানীতি বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

অজিত দোভাল ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ‘আইসি-৮১৪’ বিমান ছিনতাই সংকটে আলোচক ছিলেন। ১৯৭১ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি একাধিক বিমান ছিনতাই মামলা পরিচালনা করেছেন। তিনি গোপনে পাকিস্তানেও অনেক বছর কাজ করেছেন।

গত বছর ভারত সরকারের ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা জানায়, অজিত দোভালের নামে একটি ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। এটি ভুয়া, এটি তার নয়। ওই পোস্টে পাকিস্তান থেকে আসন্ন সাইবার আক্রমণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। তখন ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) জানিয়েছিল, অজিত দোভালের কোনো অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই এবং তার নাম, ছবিসহ পোস্টটি সম্পূর্ণ বানোয়াট।

জে.এস/

অজিত দোভাল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250