বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি অযৌক্তিক নয়’ *** শিক্ষকদের বাড়তি বেতনসুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি *** ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৪০০ কারখানা বন্ধ, দেড় লাখ শ্রমিক কর্মহীন’ *** নতুন ‘মাল্টিমিডিয়া বাসে’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার শুরু *** ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জে’র পরিস্থিতি তৈরিতে সুপরিকল্পিত হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প *** শেরপুরে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল, লাঠিসোঁটা জড়ো করল—প্রশ্ন বিএনপির *** ভারতের ফারাক্কার বিপরীতে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের *** ট্রিগারে আঙুল রাখা আছে—ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকির জবাবে ইরান *** শেরপুরের ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে: অন্তর্বর্তী সরকার *** বাপের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করছি, ব্যবসা করতে আসিনি: মির্জা ফখরুল

একে একে আট বিয়ে, নয়বারের বেলায় গ্রেপ্তার ‘কনে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, ২রা আগস্ট ২০২৫

#

পুলিশের সন্দেহ অভিযুক্ত সামিরা গত ১৫ বছরে অনেক পুরুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাদ আছে, ‘চোরের দশ দিন গেরস্তের একদিন।’ ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। স্থানীয় পুলিশ এক ‘লুটেরা দুলহান’কে (প্রতারক কনে) গ্রেপ্তার করেছে। যার বিরুদ্ধে এক-দুজন নয়, আটজন পুরুষকে বিয়ে করে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খবর এনডিটিভির।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্তের নাম সামিরা ফাতেমা। সামিরা শিক্ষিত এবং পেশায় একজন শিক্ষক। তাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়, তখন তিনি তার ৯ নম্বর শিকারের (হবু স্বামী) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই প্রতারক কনে তার স্বামীদের নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করতেন এবং তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন। পুলিশ এ ব্যাপারে একটি মামলা করে তদন্ত শুরু করেছে।

প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, সামিরা ফাতেমা একটি চক্রের সঙ্গে কাজ করতেন। পুলিশের ধারণা, গত ১৫ বছরে সামিরা অনেক পুরুষকে ঠকিয়েছেন; বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের ধনী এবং বিবাহিত পুরুষদের তিনি টার্গেট করতেন।

সামিরার একজন স্বামী অভিযোগ করেছেন, ‘সে একজনের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা এবং আরেকজনের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নগদ ও ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে। এমনকি রিজার্ভ ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সে একই কাজ করেছে।’

তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, সামিরা তার শিকারদের খুঁজে বের করতেন এবং তাদের ফাঁদে ফেলতে ম্যাট্রিমোনিয়াল ওয়েবসাইট ও ফেসবুক ব্যবহার করতেন। তিনি প্রথমে ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করতেন। তারপর নিজের জীবন সম্পর্কে মনগড়া দুঃখের গল্প শোনাতেন।

ধীরে ধীরে নিজেকে অসহায়, তালাকপ্রাপ্ত ও একটি সন্তানের মা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অর্জন করতেন সহানুভূতি ও বিশ্বাস। এরপর বিয়ে করে স্বামীর অর্থ-সম্পদ নিয়ে কেটে পড়তেন। কখনো কখনো সাবেক স্বামীদের নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করেও হাতিয়ে নিতেন বিপুল অর্থ। এর আগে একবার সামিরা নিজেকে গর্ভবতী দাবি করে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন। তবে গত ২৯শে জুলাই নাগপুরের একটি চায়ের দোকানে এক হবু স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন এই ‘লুটেরা দুলহান’।

জে.এস/

প্রতারনা বিয়ের নামে প্রতারণা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250