বৃহস্পতিবার, ২রা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নারী এমপিদের নিয়ে আমির হামজার কুৎসিত বক্তব্যের বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা *** প্রধানমন্ত্রীর ৪ বিশেষ সহকারী নিয়োগ *** নারী এমপিদের নিয়ে জামায়াতের আমির হামজার ‘বডি শেমিং’ মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ *** অন্তর্বর্তী সরকারের ২০ অধ্যাদেশ আটকে দেওয়ার সুপারিশ বিশেষ কমিটির *** শেখ হাসিনার আমলের প্রকল্প হওয়ায় রোষানলে পড়ে ইউনূসের *** শনিবার রাজধানীতে ১১ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ-মিছিল *** ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে *** ফরাসি সিনেমা ‘লা ভেনাস ইলেকট্রিক’ দিয়ে শুরু হবে কান উৎসব *** দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে তীব্র আক্রমণের ঘোষণা ট্রাম্পের *** ১২ কেজির এলপিজির দাম বেড়ে ১৭২৮ টাকা

ভারতে তিন বোনের আত্মহত্যায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:৩৭ অপরাহ্ন, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে ১৬ বছরের কম বয়সী তিন বোনের একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনায় নতুন ও বিস্ময়কর তথ্য সামনে আসছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর এমন কিছু তথ্য মিলেছে, যা আগে জানা যায়নি এবং এর ফলে মামলার গতিপথ নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি।

তদন্তে উঠে এসেছে, তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য মেয়েদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে সেগুলো বিক্রি করে দেন। এর পর থেকেই তিন বোন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিল। চেতন কুমার পুলিশকে জানান, তার মেয়েরা অতিরিক্ত কোরিয়ান কনটেন্ট দেখত—এই কারণেই তিনি তাদের ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, পেশায় শেয়ারব্রোকার চেতন কুমার প্রায় দুই কোটি রুপি ঋণের বোঝা নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পরিবার চালাচ্ছিলেন।

ঘটনার রাতের বিবরণ

তদন্ত অনুযায়ী, ঘটনার রাতে তিন বোন তাদের মায়ের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার চেষ্টা করে। কোরিয়ান বিনোদনের প্রতি গভীর আগ্রহ থাকায় তারা বিভিন্ন কোরিয়ান অ্যাপ ও কনটেন্টে ঢুকতে চেয়েছিল। তবে তারা সেই অ্যাপগুলোতে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়।

নিশিকা (১৬), প্রাচি (১৪) ও পাখি (১২) অনলাইনে গেম খেলতে বা কোরিয়ান বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় তারা হতাশ হয়ে পড়ে—এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। ফরেনসিক তদন্তেও মায়ের ফোনে কোনো কোরিয়ান কনটেন্ট অ্যাপ ব্যবহারের প্রমাণ মেলেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, চেতন কুমারের তিন স্ত্রী—সুজাতা (নিশিকার মা), হিনা (প্রাচি ও পাখির মা) এবং টিনা—তারা তিনজনই আপন বোন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মহত্যাকারী তিন কন্যা তাদের বাবার প্রতি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই কারণেই তারা সুইসাইড নোটে শুধু বাবাকেই উদ্দেশ্য করে লিখেছে এবং সেখানে মায়েদের কোনো উল্লেখ নেই।

হাতের লেখা সুইসাইড নোট, বার্তা এবং আঙুলের ছাপ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনও হাতে আসেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জে.এস/

ভারত

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250