সোমবার, ৬ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** তারেক রহমান সরকারের প্রথম একনেক সভা *** মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ *** নতুন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠক আজ, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ১৭ প্রকল্প *** নিষিদ্ধ করলেই রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের শক্তি বিলীন হয়ে যাবে না *** ইরানে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডমের দাম বাড়তে পারে *** সোমবার ইরানের শেষ সুযোগ, মঙ্গলবার পাওয়ার প্ল্যান্ট গুঁড়িয়ে দেবেন ট্রাম্প *** সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আ.লীগের মন্ত্রীদের মতো উত্তর দিয়েছেন: বিএনপির এমপি মনিরুল *** সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩২ করে সংসদে বিল পাস *** ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান

রমজানে কিডনি রোগীর সতর্কতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৩ অপরাহ্ন, ৩১শে মার্চ ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবছর আমাদের দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তবে রমজান মাসে কিডনি রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবেন? আর যদি রাখেন তবে তাদের কী ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে সবাই কমবেশি বিভ্রান্তিতে ভোগেন। কিডনি রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ জেনে নেয়া যাক-

সাধারণত প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কিডনি রোগীরা রোজা পালন করতে পারেন। তৃতীয় পর্যায়ের রোগীদের অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। কিন্তু চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের রোগী এবং ডায়ালাইসিসের রোগীদের রোজা পালন করা নিষেধ।

কী খাবেন

কিডনি রোগ এমন একটি রোগ, যেখানে পানিও মেপে খেতে হয়। তাই আপনাকে সারা দিন বুঝেশুনে খাবার খেতে হবে।

কিডনি রোগীদের রক্তের ক্রিয়েটিনিন রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। রক্তের ইলেকট্রোলাইটসে পটাশিয়াম ও বাইকার্বোনেটের রিপোর্ট দেখে শাকসবজি ও ফলমূলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

আরো পড়ুন : পিসিওএস সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নারীরা যা করবেন

রোগীদের যদি শুধু ক্রিয়েটিনিন বেশি থাকে, সে ক্ষেত্রে ডাল ও ডালের তৈরি খাবার বন্ধ রাখতে হবে। ডালের বেসন দিয়ে তৈরি চানাবুট, পেঁয়াজু, বেগুনি, বিভিন্ন রকমের চপ, পাকোড়া, হালিম খাওয়া বন্ধ। শিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি, মটরশুঁটি, বরবটি, বাদাম বা এগুলো দিয়ে তৈরি খাবারও বন্ধ। মাছ–মাংস স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০ শতাংশ কমাতে হবে। গরু–খাসির মাংস বন্ধ; তবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে পরিমিত খাওয়া যাবে।

রোগীদের পটাশিয়াম ও বাইকার্বোনেট বেশি থাকলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ শাকসবজি ও ফল খাওয়া বন্ধ। ফলের মধ্যে প্রায় সব ফলই পটাশিয়ামসমৃদ্ধ। তাই সব ধরনের ফল খাওয়া বন্ধ রাখাই উত্তম। বিশেষ করে টক ফলে পটাশিয়াম বেশি থাকে। শুধু আপেল, পেয়ারা, নাশপাতি, পেঁপে, বরই কম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ। এগুলো দিনে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যাবে। ডাবের পানিও বেশ পটাশিয়ামসমৃদ্ধ।

শাকসবজি ও আটা–ময়দার খাবার

১. সব ধরনের শাকসবজিতেই কমবেশি পটাশিয়াম থাকে; যা কিডনিবান্ধব নয়। তাই শাকসবজি থেকে কিছুটা পটাশিয়াম কমিয়ে খেতে হবে। সে ক্ষেত্রে শাকসবজি সেদ্ধ করে পানি ফেলে রান্না করতে হবে। শাকসবজি বেশি ঝোল করে রান্না করবেন, কিন্তু কম ঝোল নিয়ে খাবেন। শাকসবজি ভাজি করে খাওয়া নিষেধ।

২. আটা–ময়দার তৈরি খাবার খাওয়া কমাতে হবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম পর্যায়ের রোগীদের আটা–ময়দার তৈরি খাবার বন্ধ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে চালের আটার খাবার খেতে পারেন।

৩. সারা দিনে লবণের ব্যবহার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে হবে।

এস/ আই. কে. জে/ 

স্বাস্থ্য পরামর্শ রমজান কিডনি রোগী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250