শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ৭৪ বছরে প্রথমবার শহীদ মিনারে জামায়াত, ব্যাখ্যায় যা বললেন দলের আমির *** প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** মন্ত্রীদের কথায় লাগাম টানতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ সোহেল রানার *** ট্রাম্পের শুল্ক আদালতের রায়ে অবৈধ, বাংলাদেশ এখন কী করবে *** আলাদা শপথের দরকার নেই, গণভোট সংসদে কার্যকর হবে: শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি *** ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার *** শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান *** একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা *** ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট *** বিমানের পরিচালক হিসেবে জয়েন করিনি: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

যমজ বাচ্চা হবে কি না কিভাবে বুঝবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:২০ অপরাহ্ন, ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৩

#

ছবি-সংগৃহীত

গর্ভধারণ ও মা হওয়া একটি নারীর জীবনে সবচেয়ে সুখের অনুভূতির সৃষ্টি করে। গর্ভধারণের পরপরই নারীর শরীরে নানা বদল আসে। তখন শরীরে হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয়। ফলে ওজন বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

যদিও বমি বা ক্লান্তি গর্ভকালীন সময়ের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। তবে গর্ভে যমজ সন্তান থাকলে তা আরও বেড়ে যায়। গর্ভে যমজ সন্তান আছে কি না, তা পাকাপাকিভাবে জানার একমাত্র উপায় হলো আলট্রাসাউড স্ক্যান।

তবে কিছু লক্ষণ দেখে অনেকেই আগাম টের পেতে পারেন, গর্ভে একাধিক ভ্রূণ আছে কি না। জেনে নিন তেমনই ৬ লক্ষণ-

অতিরিক্ত বমি

গর্ভাবস্থায় বমি হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। হরমোনের ক্ষরণের কারণে বমি ভাব বা বমির প্রবণতা শুরু হয়। গর্ভধারণের ৪ সপ্তাহ পর থেকেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। তবে গর্ভবস্থার ১৪ সপ্তাহ পর্যন্ত এই সমস্যা যাদের থেকে যায়, তাদের গর্ভে একাধিক ভ্রূণ থাকতে পারে।

ক্লান্তি

ক্লান্তি গর্ভাবস্থার অন্যতম লক্ষণ। অনেকেই প্রথম মাসে এই ধরনের ক্লান্তি অনুভব করেন। ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়ার রাতের টানা ঘুম হয় না। তাই শরীরও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম পায় না।

যাদের এই ক্লান্তি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তাদের জমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কেউ খুব বেশি ক্লান্ত মানেই যে গর্ভে যমজ সন্তান আছে, তাও ঠিক নয়।

রক্তে এইচসিজির পরিমাণ বেড়ে যায়

এইসিজি বা হিউম্যান কোরিয়োনিক গোনাডোট্রোপিন নামের হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয় গর্ভাবস্থায়। হোম প্রেগন্যান্সি কিটে এই হরমোন ধরা পড়ে প্রস্রাবে। তবে রক্তে কতটা এইচসিজি আছে, তা নির্ধারণ করতে পারে না এই পরীক্ষা।

রক্ত পরীক্ষা করালে অবশ্য তা বোঝা যায়। ২০১৮ সালে করা এক সমীক্ষা বলছে, যাদের গর্ভে যমজ সন্তান ছিল, তাদের রক্তে এইচসিজির পরিমাণও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা বেশি ছিল।

আরও পড়ুন: যে ধরনের নারীর সঙ্গে রোমান্স করা যাবে না

ওজন বেড়ে যায়

গর্ভাবস্থায় ওজন বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। প্রথম ১২ সপ্তাহ তেমন ওজন বাড়ে না, বেশি হলেও ২ কেজি বাড়তে পারে। তারপর থেকে ওজন অনেকটাই বাড়তে থাকে। তবে একাধিক যমজ সন্তানের মায়ের দেওয়া তথ্যমতে, প্রথম ১২ সপ্তাহেই তাদের তুলনামূলকভাবে বেশি ওজন বেড়েছিল।

সূত্র: বেবি সেন্টার/হেলথলাইন

এসি/ আই.কে.জে



যমজ বাচ্চা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250