শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাংবাদিক মাসুদ কামাল কোথায় পড়াশোনা করেছেন, প্রশ্ন শফিকুল আলমের *** ইনকিলাব আমাদের ভাষা না: বিদ্যুৎমন্ত্রী *** ১০ বছরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতন ভারতীয় দম্পতির, অবশেষে... *** ট্রাম্পের আলোচনার টেবিলে খামেনি ও তার ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা *** বিষয়টি বিএনপি উপেক্ষা করলে ভালো হবে না: শহীদ মিনারে বাধা প্রসঙ্গে রুমিন *** ওসির অ্যাকাউন্টে বিপুল লেনদেনের অভিযোগ *** ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয় খুলছেন, নতুন কর্মসূচি আসছে’ *** ৭৪ বছরে প্রথমবার শহীদ মিনারে জামায়াত, ব্যাখ্যায় যা বললেন দলের আমির *** প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** মন্ত্রীদের কথায় লাগাম টানতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ সোহেল রানার

আত্মহত্যা ঠেকাতে সেতুতে বসল স্টিলের নেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:০১ অপরাহ্ন, ৫ই জানুয়ারী ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

আত্মহত্যা রুখতে আমেরিকায় একটি সেতুতে লাগানো হয়েছে স্টিলের নেট। ১৯৩৭ সালে খুলে দেওয়ার পর থেকে প্রায় ২ হাজার মানুষ সেখান থেকে নদীতে লাফ দিয়েছে। অর্থাৎ নির্মাণের ৮৭ বছর পর আত্মহত্যা রুখতে সেতুটিতে নেট লাগানোর কাজ সম্পন্ন হলো। শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে। ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট সেতুতে আত্মহত্যা প্রতিরোধ জাল লাগানোর কাজ অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মার্কিন এই শহরে ১৯৩৭ সালে সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর থেকে প্রায় ২ হাজার লোক তাদের মৃত্যুর জন্য সেতু  থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বলে জানা যায়।

যে পরিবারগুলো সেতু থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার কারণে প্রিয়জনকে হারিয়েছে তারা কয়েক দশক ধরে এই সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়ে এসেছে। আর এরপরই আত্মহত্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা - যা নেট নামেও পরিচিত - ১.৭ মাইল (২.৭ কিলোমিটার) দীর্ঘ সেতুটির প্রায় ৯৫ শতাংশজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে।  গোল্ডেন গেট ব্রিজ হাইওয়ে অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন ডিস্ট্রিক্ট এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘নেট লাগানোর উদ্দেশ্য হলো সেতু থেকে লাফ দেওয়া ব্যক্তিদের মৃত্যুর সংখ্যা কমানো। নেট একটি প্রমাণিত ব্যবস্থা যা লোকেদের লাফ দেওয়া থেকে বিরত রাখে। এটি হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের যত্ন ও আশার প্রতীক হিসাবে কাজ করে এবং প্রয়োজনে লোকেদের (বেঁচে থাকার) দ্বিতীয় সুযোগ দেয়।’

আরো পড়ুন: কারাগারে পাহারা দিচ্ছে রাজহাঁস!

সেতুটিতে স্টেইনলেস স্টিলের নেট লাগানোর সিদ্ধান্তটি ২০১৪ সালে অনুমোদিত হয়েছিল। কিন্তু তার চার বছর পরেও সেই কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। অনেকে এটির বিরোধিতা করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, এই পদক্ষেপ সেতু থেকে নদীর দৃশ্য দেখাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং একইসঙ্গে এটি খুব ব্যয়বহুল পদক্ষেপ।

এখান থেকে লাফ দেওয়ার পরে বেঁচে থাকা প্রায় ৪০ জনের মধ্যে একজন হচ্ছেন কেভিন হাইন্স। তবে নিজের সেই ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মহত্যা প্রতিরোধে একজন কর্মী হয়ে উঠেছেন। হাইন্স নিজেও সেতুতে নেট লাগানোর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।


তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যদি সেখানে নেট থাকত, তাহলে আমাকে পুলিশ থামিয়ে নিয়ে যেত এবং অবিলম্বে আমি আমার প্রয়োজনীয় সাহায্য পেতাম এবং কখনোই আমার পিঠ ভাঙত না, কখনোই আমার তিনটি কশেরুকা ভেঙে ফেলতাম না।’

গোল্ডেন গেট ব্রিজ হাইওয়ে এবং ট্রান্সপোর্টেশন ডিস্ট্রিক্ট বলেছে, এই নেট ইতোমধ্যেই বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে। প্রতি বছর গড়ে গোল্ডেন গেট সেতুতে প্রায় ৩০টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ২০২৩ সালে নেট লাগানোর কাজ চলার সময়ই সেখানে ১৪টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। যা আত্মহত্যার গড় সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কম।

সূত্র: বিবিসি 

এইচআ/ আই.কে.জে/


আত্মহত্যা স্টিলের নেট গোল্ডেন গেট সান ফ্রান্সিসকো

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250