বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘শীতে পিঠ ব্যথা করে’ *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’ *** নতুন মার্কিন নীতি বাংলাদেশের উপর যে প্রভাব ফেলবে *** ‘কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে’ *** মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে

শেখ হাসিনার সামনে রয়েছে যেসব আইনি পথ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫২ অপরাহ্ন, ১৭ই নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার (১৭ই নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন।

তিনটি অপরাধের পৃথক অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া আরও দুটি অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এটাই জুলাই অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট কোনো মামলার প্রথম রায়।

তবে ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করলেও এটাই চূড়ান্ত ধাপ নয়। এরপরও শেখ হাসিনার আইনি লড়াইয়ের একাধিক ধাপ বাকি থাকবে। তবে সেক্ষেত্রে শেখ হাসিনাকে হাজির হয়ে আদালতে আত্মসমপর্ণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে এই প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হবে। 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল করতে পারবেন শেখ হাসিনার আইনজীবীরা। আপিলে আইনগত ত্রুটি, প্রমাণের অপব্যবহার অথবা বিচার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম দেখানো যাবে।

এরপর আপিল বিভাগ দেখবে সঠিকভাবে আইনের যে যে পদ্ধতি বা মানদণ্ড অনুসরণ করে এই মামলা পরিচালনা করার কথা ছিল, প্রত্যেকটা যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে করা হয়েছে কিনা। এরপর আপিল বিভাগ রায়ের ওপর শুনানি করবেন। তারা রায় বহাল, পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

আসামিপক্ষ আপিল বিভাগের রায়ের ওপর আবার রিভিউ আবেদন করতে পারবে। রিভিউ আবেদনে নতুন প্রমাণ, আইনি ভুল বা গুরুতর অন্যায় দেখাতে হয়। বিচারপতিরা আপিল বিভাগের রায় বহাল রাখতে, সংশোধন করতে বা পুনরায় শুনানির নির্দেশ দিতে পারেন। এটাই বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ।

তবে রিভিউয়ে দেওয়া চূড়ান্ত রায়ের পরও শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে সাজা মওকুফের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনার দণ্ড মওকুফ, কমানো বা স্থগিত করতে পারেন।

শেখ হাসিনা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250