ছবি: সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা অদক্ষ, অপরিণামদর্শী- এসব বিষয় জনগণ এখন মেনেই নিয়েছে। তাই ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তাদের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে উপদেষ্টাদের যদি দুর্নীতির খবর বের হয়, তখন মানুষ তাদের শান্তিতে থাকতে দেবে না, ছেড়ে কথা বলবে না। ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি পত্রিকা নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় এসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা সমাধানে তড়িৎ বেগে কাজ করেছেন। এটা তিনি ঠিক করেননি। বড় দায়িত্ব নিলে সবার সমস্যা সমাধান করে তারপর নিজেরটা দেখতে হয়। তিনি নিজের কোম্পানির আগে অন্য কোম্পানির সমস্যা সমাধান করতে পারতেন, সেটা করেননি। এটা বিরাট ভুল। এ বিষয়টি হয়তো তাকে সারাজীবন কুঁড়ে কুঁড়ে খাবে।’
টকশোটিতে একক অতিথি হিসেবে ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার নূরুল কবীর। নিউইয়র্ক যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। দেশ, রাজনীতি ও সমাজের সমসাময়িক নানা বিষয়ে ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীনের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
গত ১৮ই ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে দেশের প্রথম সারির দুটি পত্রিকা প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ভবনে আগুন দেয় নাশকতাকারীরা। এতে জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছিলেন অনেক সাংবাদিক। তাদের রক্ষায় ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর। তখন তাকেও হেনস্থা করে হামলাকারীরা। আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহনীর পক্ষ থেকে তাগিদ থাকলেও নিজে কোনো মামলা করবেন না বলে জানালেন নূরুল কবীর।
তিনি বলেন, ‘আমার ওপর যারা আক্রমণ করেছে তারা শিবিরের লোক ছিল। কিন্তু আমি মামলা করব না। কারণ আমি যাদের সমালোচনা করব, যাদের অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লিখব- তারা আমাকে ফুলের মালা দেবে, এটাও আশা করি না। সেদিন আমি কর্তব্যবোধ থেকেই ডেইলি স্টারে গিয়েছিলাম।’
খবরটি শেয়ার করুন