ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। গতকাল শনিবার (১৭ই জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ‘আচরণবিধি ভঙ্গের’ অভিযোগ তুললে ক্ষোভপ্রকাশ করেন রুমিন ফারহানা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে শনিবার সন্ধ্যায়।
ভিডিওতে রুমিন ফারহানা ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি শেষ বারের মত আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি আমি এ ধরনের কথা আর শুনতে চাই না। আপনি পারলে থামিয়ে দেন। আজ আমি ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলছি, পরবর্তীতে সেটা করব না। অন্যরা আপনাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়, খোঁজ নিয়ে দেখেন। তাদের ব্যাপারে কিছুই করেন না।’
‘এক্সকিউজ মি স্যার, এক্সকিউজ মি, মাফ করবেন স্যার, মাফ করবেন। স্যার, দিস ইজ দা লাস্ট টাইম। এটাই শেষ সময়। আই ওয়ার্নিং ইউ, আমি আপনাকে সতর্ক করছি। আই উইল নট লিসেন টু দিস। এরপর আমি আর এ বিষয়ে শুনব না।' ভিডিওতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আঙুল তুলে এভাবেই শাসাতে দেখা যায় রুমিন ফারহানাকে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি রুমিন না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার। মাথায় রাইখেন। যাদের কথায় এখন আপনারা চলছেন, শেখ হাসিনার সময় তারা কানে ধরে খাটের নিচে থাকত। আমি রুমিন ফারহানা আমার কোন দল লাগে না।’
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান শনিবার রাতে মুঠোফোনে সুখবর ডটকমকে বলেন, নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘন করে তারা সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়ম বহির্ভূত হওয়ায় আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে সমাবেশ না করার জন্য বলি। তারা চলে যাওয়ার সময় সমাবেশের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিষয়টি আমি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি।
খবরটি শেয়ার করুন