মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** এক–এগারোর ‘সুবিধাভোগী’ সাংবাদিকদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতে চায় সরকার *** চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব *** জুলাই জাতীয় সনদ ঘিরে অনড় সরকার–বিরোধী দল, সমঝোতা নেই *** তারেক রহমান সরকারের প্রথম একনেক সভা *** মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ *** নতুন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠক আজ, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ১৭ প্রকল্প *** নিষিদ্ধ করলেই রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের শক্তি বিলীন হয়ে যাবে না *** ইরানে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডমের দাম বাড়তে পারে *** সোমবার ইরানের শেষ সুযোগ, মঙ্গলবার পাওয়ার প্ল্যান্ট গুঁড়িয়ে দেবেন ট্রাম্প

‘ভারতের বাঁধে নদীর বিপন্নতা’ প্রসঙ্গে যা বললেন আনু মুহাম্মদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৫:১২ অপরাহ্ন, ১৩ই মার্চ ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বাংলাদেশের নদ-নদীর মরণদশার পেছনে তিনটি কারণ উল্লেখ করে বলেছেন, উজানে দেওয়া ভারতের বাঁধ, দেশের শক্তিশালী ব্যক্তিবর্গ ও কোম্পানির দখল আর সরকারের নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্প – এ তিন কারণে বাংলাদেশের নদ–নদী ভয়ংকর বিপদের মধ্যে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ই মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে ‘ধরিত্রীর জন্য আমরা’ (ধরা) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই তিন কারণের উল্লেখ করেন।

আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, কারা নদী দখল করছে, কারা নদীকে শেষ করে দিচ্ছে, আর কী করতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে আদালত কিছু রায় দিয়েছেন। আদালতের রায়ে ২০০৯ সালে নদীরক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছিল। মুজিবর রহমান হাওলাদার যখন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তিনি বিশাল ভলিউমে নদীর দখলদারদের তালিকা করেছিলেন। ওটা নদীরক্ষা কাজ শুরুর জন্য একটা সূচনাবিন্দু হতে পারে।’

আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, ‘গত সাত মাস পার হয়েছে। স্বৈরশাসনের প্রধান ব্যক্তি (শেখ হাসিনা) পালিয়েছেন। গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা শুনি নতুন বাংলাদেশ হবে, স্বাধীন বাংলাদেশ হবে, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ হবে। কিন্তু তার প্রতিফলন অনেক জায়গায় দেখি না৷ নদীর ক্ষেত্রে সেটা একেবারে দেখা যায় না।’

আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে বললে বাংলাদেশের নদী যে ভয়ংকর বিপদের মধ্যে আছে তার কারণ তিনটি। এক, উজানে দেওয়া ভারতের বাঁধ। চীন এখন ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিচ্ছে। ভাটির দেশ হিসেবে ভারত প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এখন তাদের উপলব্ধি হবে ভাটির দেশের সংকটটা কী। ভারতের সঙ্গে নেগোসিয়েশনে কোনো কাজ হচ্ছে না৷ সমাধানের একটা পথ হতে, পারে জাতিসংঘের ওয়াটার ট্রিটিতে অনুস্বাক্ষর করা। ভারতকে খুশি করতে বাংলাদেশ যা এত দিন করেনি।’

আনু মুহাম্মদ প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তখন আওয়ামী লীগ সরকার ছিল। তাই করেনি। এখন সেটা করতে অসুবিধা কোথায়? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করণীয় কাজ এটাতে অনুস্বাক্ষর করা।’

সরকারকে দখল উচ্ছেদে পুরোনো তালিকা ধরে কাজ শুরু করা, বিগত সরকারের আমলে নেওয়া ডেলটা প্ল্যান পর্যালোচনা করা ও জাতিসংঘের পানি আইনে অনুস্বাক্ষরের আহ্বান জানান আনু মুহাম্মদ।

এইচ.এস/


আনু মুহাম্মদ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250