বৃহস্পতিবার, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** লাইলাতুল গুজব চলছে, পাত্তাই দেবেন না: জামায়াতের আমির *** সংসদ ও গণভোটের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ *** নেতা-কর্মীদের ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান বিএনপির *** ‘অবৈধভাবে’ নির্বাচনী দায়িত্বে ৩৩০ আনসার, সত্যতা পেয়ে সতর্ক পুলিশ *** আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রথম নির্বাচন নিয়ে কী বলছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম *** ফাঁকা রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টের সই, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার *** লক্ষ্মীপুরে ১৫ লাখ টাকাসহ কৃষক দল নেতা আটক, পরে মুক্ত *** আওয়ামী লীগকে ছাড়া ভোট প্রশ্নবিদ্ধই থাকবে, ওয়াশিংটনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং *** মোদি সরকার ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছে: রাহুল গান্ধী *** ভারত-পাকিস্তান সংঘাত পরমাণু যুদ্ধে গড়াত, ১০টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল: ট্রাম্প

মায়ের মুখের পড়া মুখস্থ করে যেভাবে এসএসসিতে সফল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ঐতি

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২৬ অপরাহ্ন, ১৪ই মে ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও মায়ের মুখের পড়া মুখস্থ করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন ঐতি রায় (১৫)। পরীক্ষায় জিপিএ ৪ দশমিক ৩৯ পেয়ে পাস করেছে সে। মায়ের শ্রুতি লেখকের সহায়তায় পড়াশোনা এবং বিজয়া হালদার নামে এক শিক্ষার্থীর সহযোগিতা নিয়ে পরীক্ষা দেয় ঐতি। 

জানা গেছে, মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামের বালুর মোড় এলাকার অনুপম রায় ও শংকরি রায় দম্পতির একমাত্র মেয়ে সে। 

মেয়ের সফলতা নিয়ে অনুপম রায় গণমাধ্যমকে বলেন, ঐতির মা শ্রুতি লেখনির মাধ্যমে বাড়িতে পড়াশোনা শেখায়। এভাবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় তার মেয়ে। পরীক্ষার হলে ঐতি মুখস্থ বলতো আর একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী বিজয়া হালদার তা খাতায় লিখত। এভাবে সে সবগুলো পরীক্ষা দিয়ে এসএসসি পাস করেছে।

ঐতির মা গণমাধ্যমকে বলেন, ওর জীবনের স্বপ্ন ছিল পড়ালেখা করবেই। এখন সে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে। আমরা খুব খুশি, স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। 

আরো পড়ুন: জমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫,সমান নম্বর 

তবে অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় মেয়েকে অনেকদূর পড়াশোনা করাতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা। 

এই বিষয়ে মোংলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিশাত তামান্না গণমাধ্যমকে জানান, দৃষ্টিহীন ঐতি রায়ের এমন প্রতিভা দেখে অবাক হয়েছি। মেধা না থাকলে এমন ফল করা কোনোভাবেই সম্ভব না। এখন ঐতির চোখের চিকিৎসা জরুরি। এছাড়া সে যাতে নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সে ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সবাইকে সাথে নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 

ঐতি গণমাধ্যমকে বলেন, জন্ম থেকে আমি দৃষ্টিহীন। কিন্ত পড়ালেখা করার খুব ইচ্ছে ছিল আমার। পড়াশোনার কাজে আমার মা আমাকে সহযোগিতা না করলে আজ এই পর্যন্ত আসতে পারতাম না। 

পড়াশোনা শেষ করে সরকারি একটা চাকরি এবং আবৃত্তির শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নের কথাও বলে সে। 

ঐতি রায়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ হালদার গণমাধ্যমকে বলেন, ঐতি ‘এ' গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়ে এসএসসি পাস করে স্কুলের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা তার এই রেজাল্টে দারুন খুশি। দোয়া করি ঐতি তার মেধা বিকাশিত করে অনেক বড় হোক।

এইচআ/ 

এসএসসি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ঐতি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250