শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শেখ হাসিনাকে ভারতের আশ্রয়: কূটনৈতিক সম্পর্কের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তারেক রহমান *** আমিও এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য: জামায়াত আমির *** ১১-১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব বাণিজ্যবিতান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে *** আজ ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন তারেক রহমান *** আজ উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান। *** যমুনার সামনে আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয়: ঢামেক পরিচালক *** ‘৫ই আগস্টের চেতনা এখন জামায়াতের গর্ভে’ *** মার্কিন নাগরিকদের ‘অবিলম্বে ইরান ছাড়ার’ নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের ‘সম্মতি’ *** ‘মনে করেছিলাম, ড. ইউনূস নির্বাচনের সময়গুলোতে এতটা নিচে নামবেন না’

কাবাঘরের গিলাফ পাঠানো হয়েছিল কুখ্যাত এপস্টেইনের কাছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন অর্থলগ্নিকারক কুখ্যাত জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে নতুন করে ফাঁস হওয়া কিছু নথিতে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব নথিতে দাবি করা হয়েছে, ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান মক্কার কাবা শরিফের গিলাফ বা আবরণী কাপড় (কিসওয়া) সংগ্রহ করে তা এপস্টেইনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আই’ এক প্রতিবেদনে এই অভিযোগ সামনে এনেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাঁস হওয়া নথির মধ্যে থাকা একটি ইমেইলে কাবার গিলাফের ধর্মীয় তাৎপর্য বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ইমেইলে লেখা ছিল, ‘এই কালো কাপড়ের টুকরোটি অন্তত এক কোটি মুসলমান স্পর্শ করেছেন; তারা এতে তাদের প্রার্থনা ও অশ্রু রেখে গেছেন।’ অভিযোগ সত্য হলে, বিষয়টি মুসলিম বিশ্বে গভীর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

প্রতিবেদনটিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই ব্যবসায়ী—আজিজা আল-আহমাদি ও আবদুল্লাহ আল-মাআরির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই দুজন ব্যক্তি সৌদি আরব থেকে কাবার পবিত্র এই আবরণী কাপড় সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় জেফরি এপস্টেইনের কাছে পাঠাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। নথিতে আরও বলা হয়েছে, এই চালানের পরিবহনকারী হিসেবে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের নামও উঠে এসেছে।

তবে এসব অভিযোগ এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে তুর্কি সংবাদমাধ্যম ‘ইয়েনি সাফাক’ লিখেছে—জেফরি এপস্টেইন কেলেঙ্কারি মূলত যৌন নিপীড়ন ও মানব পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও, কাবার গিলাফ নিয়ে নতুন দাবি কেলেঙ্কারিটিকে আরও ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। কাবা শরিফ মুসলমানদের কাছে সর্বোচ্চ পবিত্র স্থান; এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বস্তুর অবমাননা বা অপব্যবহার বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হানতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হলে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে ব্যাপক নিন্দা, কূটনৈতিক চাপ এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি জোরালো হতে পারে। তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে, যেখানে ধর্মীয় পবিত্রতার প্রতি শ্রদ্ধা সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সেখানে এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়া বিশেষভাবে তীব্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জে.এস/

জেফরি এপস্টেইন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250