মঙ্গলবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিএনপি আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে কি না, স্পষ্ট হয়নি *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অধীনতার চুক্তি করে বিদায় নিচ্ছেন ড. ইউনূস: আনু মুহাম্মদ *** আজ আমি বিদায় নেওয়ার জন্য উপস্থিত হয়েছি: প্রধান উপদেষ্টা *** নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নির্দেশ *** পুতিন মডেলের ক্ষমতা চান ট্রাম্প, পশ্চিমের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তিনি: হিলারি *** জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ক্যামেরায় আবুধাবিতে ধরা পড়ল রমজানের চাঁদ *** পরিবারের কাছে যেতেই পারি, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ব্যাখ্যায় বিসিবি সভাপতি *** নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ৫৫১ পেশাজীবীর বিবৃতি *** ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না জামায়াতের এমপিরা *** ‘ভারতকে বুঝতে হবে, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে আর নেই’

রাষ্ট্রপতি পদে সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরির খোঁজে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৫:০৫ অপরাহ্ন, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা আগেই জানিয়েছিলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর তিনি পদত্যাগ করবেন বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এদিকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে কে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন, তা নিয়ে বিএনপিতে আলোচনা চলছে।

একটি সূত্র বলছে, নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার কিছুদিন পরই পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতি নিজে পদ থেকে সরে না দাঁড়ালে তাকে অভিশংসন করা যায়। এ ছাড়া অসামর্থ্যের কারণেও রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের সুযোগ সংবিধানে রয়েছে।

সংবিধানের ৫০ (৩) ধারায় বলা আছে, স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারবেন। বিএনপির শীর্ষ মহলের ধারণা, নতুন স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যেতে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন। এ রকম হলে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে সরানোর কোনো পদক্ষেপ তাদের নিতে হবে না।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা গত বছরের ১১ই ডিসেম্বর রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি।’

২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সাহাবুদ্দিন। সেই হিসাবে আরও দুই বছরের বেশি তার মেয়াদ রয়েছে।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে ওই পদে কাকে বসানো যায়, তা নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা করছে বিএনপি। সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে কয়েকজনের নামও আলোচনায় এসেছে।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, দলের নীতিনির্ধারকেরা নতুন রাষ্ট্রপতির বিষয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করছেন। নতুন রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় সবচেয়ে বেশি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পাশাপাশি বিকল্প নামও শোনা যাচ্ছে। বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার নিতে আগ্রহী নন।

মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। এর বাইরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে তিনি ত্রয়োদশ সংসদের সবচেয়ে বয়সী সদস্য। বয়সের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনা না-ও করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে।

বিএনপির নেতৃত্বে ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার গঠনের পর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। নিয়োগের সাত মাসের মাথায় তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

রাষ্ট্রপতি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

বিএনপি আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে কি না, স্পষ্ট হয়নি

🕒 প্রকাশ: ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অধীনতার চুক্তি করে বিদায় নিচ্ছেন ড. ইউনূস: আনু মুহাম্মদ

🕒 প্রকাশ: ১১:৫৫ অপরাহ্ন, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আজ আমি বিদায় নেওয়ার জন্য উপস্থিত হয়েছি: প্রধান উপদেষ্টা

🕒 প্রকাশ: ১১:৪২ অপরাহ্ন, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নির্দেশ

🕒 প্রকাশ: ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পুতিন মডেলের ক্ষমতা চান ট্রাম্প, পশ্চিমের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তিনি: হিলারি

🕒 প্রকাশ: ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Footer Up 970x250