ছবি: সংগৃহীত
ইরানজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় গ্রেপ্তার ‘দাঙ্গাবাজদের’ কঠোর শাস্তির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা। যারা প্ররোচনার ফাঁদে পড়ে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন, তাদের আত্মসমর্পণের জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেন মহসেনি-এজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিচার বিভাগের মূল কাজ মাত্র শুরু হয়েছে। যদি আমরা অকারণে কাউকে দয়া দেখাই যিনি দয়া পাওয়ার যোগ্য নন, তবে তা হবে ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হবে।’
বিক্ষোভের পর প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পার্লামেন্ট প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠকের পর এই তিন নেতা শাস্তির বিষয়ে হুঁশিয়ারি দেন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, ‘খুনি ও সন্ত্রাসী উসকানিদাতাদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যারা বিদেশি শক্তির মাধ্যমে ‘প্ররোচিত’ হয়ে বিক্ষোভে নেমেছিলেন, তাদের প্রতি ‘ইসলামি সহানুভূতি’ দেখানো হতে পারে।
ইরান সরকার এই বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল রয়েছে বলে শুরু থেকেই বলে আসছে। গত শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি স্বীকার করেছেন, বিক্ষোভে ‘কয়েক হাজার’ মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে সরকার দাবি করছে, এই মৃত্যুর জন্য বিদেশি মদদপুষ্ট এজেন্টরা দায়ী, সরকারি বাহিনী নয়।
গত ২৮শে ডিসেম্বর শুরু হওয়া এ আন্দোলনে এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, তেহরান থেকে এক ‘সন্ত্রাসী দলের’ সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ইরানে ঢুকেছিল। এ ছাড়া কেরমান, ইসফাহানসহ বিভিন্ন শহর থেকেও ‘দাঙ্গাবাজ নেতাদের’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
খবরটি শেয়ার করুন