বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** শীতে পিঠ ব্যথা করে—টাইম ম্যাগাজিনকে তারেক রহমান *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’ *** নতুন মার্কিন নীতি বাংলাদেশের উপর যে প্রভাব ফেলবে *** ‘কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে’

নির্বাচন বিতর্কিত হলে প্রধান উপদেষ্টা সবচেয়ে বেশি প্রশ্নবিদ্ধ হবেন: জাহেদ উর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:২৯ অপরাহ্ন, ৪ঠা জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন বিতর্কিত হলে দিনের শেষে প্রধান উপদেষ্টা সবচেয়ে বেশি প্রশ্নবিদ্ধ হবেন। তার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সরকারকে প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে জনগণের সামনে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে না পড়ে।

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি এসব নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক কারচুপির চেষ্টা হবে—এমন একটি আলোচনা পরিকল্পিতভাবে সামনে আনা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টা শুধু দেশের ভেতর থেকেই নয়, বরং দেশের বাইরের কিছু প্রভাবশালী ইনফ্লুয়েন্সারের বক্তব্যেও ধীরে ধীরে উঠে আসছে। সময় যত গড়াবে, এই আলোচনা তত জোরালো হবে এবং নির্বাচনের পর এটিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন হিসেবে প্রচার করলেও আমি এটা আসলে মনে করি না। বরং কিছু এলাকায় সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে বিএনপি ও জামায়াতের শক্তির ব্যবধান কম, কিংবা যেখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকতে পারে, সেখানে সংঘাতের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, সহিংসতা বাড়ার একটি বড় কারণ হতে পারে দুর্বল ডিটারেন্ট ব্যবস্থা। অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে অপরাধ প্রবণতা কমে না।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছে যে জামায়াত আসন্ন নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্য পেতে যাচ্ছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পরিচালিত জরিপ, পোল ও প্রচারণার মাধ্যমে এই ধারণা ছড়ানো হচ্ছে। এ ধরনের হাইপ তৈরি করার দুটি উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

তিনি বলেন, একদিকে এটি জামায়াতের পক্ষে ভোট ও আসন বাড়াতে সহায়ক, অন্যদিকে নির্বাচনের ফল প্রত্যাশার তুলনায় কম হলে সেটিকে কারচুপির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ করার পথ তৈরি করে। বাস্তবে জামায়াত ও তাদের মিত্ররা সীমিতসংখ্যক আসন পেলেও পরে দাবি করা হতে পারে—তারা জয়ী হওয়ার অবস্থায় ছিল, কিন্তু প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় বিএনপির পক্ষে কারচুপি হয়েছে।

তিনি বলেন, এভাবে নির্বাচনের পর অস্থিরতা তৈরির একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং বিএনপির এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

জে.এস/

জাহেদ উর রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250