ছবি: সংগৃহীত
‘টক্সিক’ ঝলকে অ্যানিমেল আর ধুরন্ধর সিনেমাকেও হার মানিয়ে দেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা যশ। প্রথম টিজারে গোরস্তানে যৌনতা দেখিয়ে বিতর্কে জড়ানোয় সম্ভবত এবার পরিচালক গীতু মোহন দাস খানিক সচেতনভাবেই শয্যাদৃশ্য রেখেছেন। অন্ধকার জগৎ, গ্যাংস্টার গাথা সিনেদুনিয়ার পর্দায় নতুন নয়, তবু গতকাল শুক্রবার (২০শে ফেব্রুয়ারি) প্রায় দুই মিনিটের টিজার ঝলকে যে খেলা দেখালেন ‘কেজিএফ’ স্টার যশ, তাতে স্বল্প সময়েই নেটদুনিয়ায় জোর ‘টক্সিক’ চর্চা।
জানুয়ারি মাসে জন্মদিনে কথা দিয়েছিলেন নতুন অবতারে ধরা দেবেন অভিনেতা। সেই প্রতিশ্রুতিমাফিক আন্ডারওয়ার্ল্ডের ‘টক্সিক কিং’ রূপে ধরা দিলেন যশ। বোমাবাজি, গোলাগুলি কিংবা বারুদের গন্ধে ঠাসা ‘লার্জার দ্যন লাইফ’ ঝলক। ‘রক্তস্নাত সার্কাসে’র ঝলক দেখে শিরদাঁড়া দিয়ে হিমস্রোত বইতে বাধ্য!
গল্পের প্রেক্ষাপট নয়ের দশকের গোয়া। যেখানে মাদকচক্র, অপরাধ আর ক্ষমতার দাপটে সেই সময়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে এক নিষ্ঠুর সাম্রাজ্য। কতটা নিষ্ঠুর, কতটা অন্ধকার? সেই ঝলকই দেখালেন দক্ষিণী সুপারস্টার যশ।
এই গল্প কোনো সাধারণ নায়কের নয়; বরং অন্ধকারে রাজপথ চালিয়ে যাওয়া এক গ্যাংস্টার রায়ার। যে চরিত্রে ধরা দেবেন যশ। ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’-এর নাম আর টিজারেই বুঝিয়ে দিলেন যে এই ‘সর্বনাশা খেলা’ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। মিনিট দেড়েকের ঝলক শুরুই হলো— রয়্যাল সার্কাসের তাঁবুতে গ্যাংস্টার রায়ার মারাকাটারি অ্যাকশন দিয়ে।
আচমকাই সেখানে ডন স্টাইলে আবির্ভাব রায়ার। মুহূর্তের মধ্যে অনুষ্ঠানের আবহ বদলে গেল বোমাবাজি, মুহুর্মুহু গোলাগুলি আর রক্তারক্তিতে। এরপরই রক্তের খেলায় মেতে উঠলেন রায়া ওরফে যশ। প্রতিপক্ষের চুলের মুঠি ধরে ভাঙা কাঁচের জানালায় যে হাড়হিম করা সিকোয়েন্স দেখা গেল, তাতে চমকে উঠতে হয়। টিজারজুড়ে শুধু মারাকাটারি অ্যাকশন আর রক্ত। মার্চের পর্দায় যে রক্তস্নান হবে, ‘টক্সিক’-এর দ্বিতীয় ঝলকেই হুঁশিয়ারি দেগে দিলেন দক্ষিণী তারকা।
এমন রগরগে সব মুহূর্ত দেখে নেটপাড়ার ভবিষ্যদ্বাণী— ‘এ সিনেমা অ্যানিমেল ও ধুরন্ধরেরও বাবা হতে চলেছে।’ টিজার দেখে ইতোমধ্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ পরিচালক করণ জোহর, সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা।
২০২৬ সালের আগামী ১৯শে মার্চ বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে এ অন্ধকার জগতের রূপকথা। যে সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন গীতু মোহন দাস। হলিউড স্টাইল অ্যাকশন দৃশ্যও ততোধিক প্রশংসার দাবিদার। গল্পে যেখানে মাদকচক্র, অপরাধ আর ক্ষমতার দাপট আধিপত্য বিস্তার করেছে এক নিষ্ঠুর সাম্রাজ্য। কতটা নিষ্ঠুর, কতটা অন্ধকার? সেই ঝলকই দেখালেন দক্ষিণী সুপারস্টার যশ।
এই সিনেমাটি মূলত কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় তৈরি হলেও মুক্তি পাবে হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালয়ালম ভাষায়। কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়াদের মতো নায়িকাদের জন্য এ সিনেমা যে হিন্দি বলয়েও ভালো ব্যবসা করবে, তেমনটি আন্দাজ করাই যায়। এ ছাড়া দক্ষিণী নায়িকা নয়নতারা ও রুক্মিণী বসন্ত রয়েছেন ‘টক্সিক’-এ। অতঃপর দক্ষিণী বলয়েও ব্লকবাস্টার ব্যবসা বাঁধা।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন