ফাইল ছবি
শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ওরফে মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনের বিষয়ে ভারতের কাছে কনস্যুলার সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। গত শনিবার রাতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে।
ভারতের কাছে তাদের বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন। আজ সোমবার (৯ই মার্চ) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কলকাতা মিশন থেকে এরই মধ্যে রোববার ভারতের কাছে কনস্যুলার অ্যাক্সেস চাওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করছে, দ্রুতই অ্যাক্সেস পাবে। তারপরই মন্ত্রণালয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান আছে। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তাদের বিচারে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। এ জন্য তিনি গণসংযোগ করছিলেন। গত বছর ১২ই ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
তাকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ই ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন