সোমবার, ২৩শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘সমালোচনা নিতে পারেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ *** বিদেশি কূটনীতিককে জামায়াত আমিরের জড়িয়ে ধরা ‘বিতর্ক’, শুভেচ্ছা নাকি অসদাচরণ? *** ‘ঈদের নামাজে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে উপস্থিতি নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়’ *** যুদ্ধ বন্ধে মরিয়া ট্রাম্প, আলোচনার জন্য উপযুক্ত ইরানি নেতা খুঁজে পাচ্ছেন না *** যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া নিয়ে মিথ্যাচার করছে উপসাগরীয় দেশগুলো *** ‘এক যুগে বাংলাদেশকে ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে ভারত’ *** হলে হলে ছুটছেন তারকারা *** ‘নির্বাসিত’ জীবনে বিশ্বের প্রথম জেন জি ‘রাষ্ট্রপতি’ *** যে কোম্পানির বাস চালান পিন্টু, সেটির বাসেই প্রাণ গেল স্ত্রী ও দুই মেয়ের *** একাত্তরের হত্যাযজ্ঞকে ‘গণহত্যা’ স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব

বয়কটে তরমুজের দাম অর্ধেক, এবার গরুর মাংসের পালা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, ৩০শে মার্চ ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে হঠাৎ তরমুজের দরপতন হয়েছে। একদিনে ব্যবধানে তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। প্রতিপিস তরমুজ আগে যেখানে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতো তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।

শনিবার (৩০শে মার্চ) সকালে রাজধানীর মগবাজার ওয়ারলেস সড়কের পাশে তরমুজ বিক্রির এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। আগের তুলনায় দাম কমে যাওয়ায় লোকজনকে হুমড়ি খেয়ে তরমুজ কিনতে দেখা গেছে। ক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় তরমুজের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে।

রোজাদারদের ইফতারে ফলটির চাহিদা থাকে। আর এই সুযোগ নিয়ে হুহু করে দাম বাড়িয়ে পিস থেকে কেজিতে তরমুজ বিক্রি শুরু করে বিক্রেতারা। ফলে সপরিবার খাওয়ার মতো একটি তরমুজের দাম পড়ে ৬০০-৮০০ টাকা। চলতি রমজানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরমুজ বয়কটের ডাক দেয় সাধারণ মানুষ। ফলে অর্ধেক দামে তরমুজ বিক্রি করলেও ক্রেতা পাচ্ছে না বিক্রেতারা।

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গরুর মাংস বয়কটের ডাক দিয়েছে সাধারণ মানুষ। কারণ, রোজার শুরু থেকেই গরুর মাংসের দাম বেড়েই চলেছে। প্রথমদিকে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি থাকলেও শুক্রবার (২৯শে মার্চ) তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে, গত ১৫ই মার্চ গরুর মাংসের দাম ৬৬৪ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার। তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই মাংস ব্যবসায়ীদের। এবার এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে জনগণ।

হাজার হাজার বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের ফেসবুকের টাইমলাইনে কয়েকটি পোস্ট শেয়ার করছেন। যা রীতিমত ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট হবহু যা আছে--

তরমুজের ভাব বেড়েছিল আমাদের আম জনতার বয়কটে তার দাম এখন হাতের নাগালে। এভাবে গরুর মাংসও খাওয়া বাদ দিন,বয়কট করুন ১ বা ২ বা ৩ মাস। দেখবেন, সেটাও হাতের নাগালে চলে আসবে। ক্রেতা না কিনলে দাম বাড়িয়ে কয়দিন কাটা গরুর মাংস রাখবে ফ্রিজে! কম দামে ক্রেতা না কিনলে কতদিন চড়া দাম হাকাবে! ক্রেতাই যদি না থাকে কিসের সিন্ডিকেট! আমরা সব চাইলেই পারি! লাগবে শুধু একতা! চলেন, তরমুজের পরে এবারে গরুর মাংসের দাম কমাই।

ভাইরাল হওয়া আরেকটি পোস্ট-

আমি গরুর মাংস কিনলাম। বলল যে, দেশের মানুষ ভাত পায়না, গরুর মাংস কেনে। গরুর মাংসের ম্যালা দাম, আসুন গরুর মাংস বয়কট করি।

আরো পড়ুন: ঈদের মৌসুমকে সামনে রেখে স্বস্তি ফিরছে সবজির দামে

এদিকে গরুর মাংসের দাম বাড়া নিয়ে মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় খামারিদের কারসাজিতে বাজারে গরুর মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না । দুর্মূল্যের এ বাজারে স্বল্পমূল্যে যারাই গরুর মাংস বিক্রি করতে চাচ্ছেন, তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে খামারিদের অসাধু চক্র। একদিকে কোরবানিকে কেন্দ্র করে বাজার থেকে গরু উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে হুমকি আর চাপ এসে হাজির হচ্ছে স্বল্পমূল্যের বিক্রেতাদের জীবনে। খামারিদের এই সিন্ডিকেট ভাঙা গেলে ৫০০ টাকায়ও গরুর মাংস কিনতে পারতো ক্রেতা সাধারণ; আবারো মাসে অন্তত একবার হলেও গরুর মাংসের স্বাদ নিতে পারতো মধ্যবিত্ত পরিবার।

এর আগে এ বিষয়ে কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করে আলোচনায় আসা ব্যবসায়ী খলিল বলেন, সরকার ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশের অনুমতি দিলে মাংসের দাম ৫০০ টাকায় নেমে আসবে। অন্তত ১০ দিন ভারতীয় গরু দেশে আনা হলে গরুর মাংস ৫০০ টাকা বিক্রি করা সম্ভব।

এসি/

 

গরুর মাংস তরমুজ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250