ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্যসচিব মো. আলমগীর চৌধুরীর একটি অনৈতিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে। এ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আজ রোববার (২৫শে জানুয়ারি) সকালে এই ঘটনার ৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি মো. আলমগীর চৌধুরীর। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্যসচিব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিপরীত দিকের কারও সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছেন আলমগীর চৌধুরী। তিনি পুরো ভিডিওজুড়ে উলঙ্গ হয়ে নানা অনৈতিক ও অশোভন অঙ্গভঙ্গি করছেন।
জানা যায়, স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে জিম্মি করে প্রতিনিয়ত ভিডিও কলে কথা বলেন আলমগীর চৌধুরী। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারী ভিডিওটি ফাঁস করে দেন।
ভিডিওটি কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে ফাঁস হওয়ার পর উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যে নানা কৌতূহল দেখা দেয়।
ঢাকা থেকে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে চরজুবলী ইউনিয়নের বাসিন্দা হেমায়েতুল আলম সুখবর ডটকমকে বলেন, ‘বড় নেতাদের দেখে কর্মী-সমর্থকেরা শিখবে। কিন্তু নেতাদের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল হলে কর্মী-সমর্থকেরা কোথায় যাবে!’
তবে অভিযুক্ত মো. আলমগীর চৌধুরী ভিডিওটি ক্যাপকাট দিয়ে এডিট করা এবং কৃত্তিম বুদ্ধমত্তা (এআই) দিয়ে বানানো বলে দাবি করেন সুখবর ডটকমের কাছে। এই ভিডিও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আগামীতে ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করব। আমি ধানের শীষের নির্বাচন করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য দেওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এমন ভিডিও নিজেরা তৈরি করে ভাইরাল করতে পারে।’
জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসার পর তিনি অস্বীকার করেছেন। তারপরও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
খবরটি শেয়ার করুন