মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জন্য দোয়ার আয়োজন, অতঃপর... *** ১০ বছরে বাংলাদেশে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা অর্ধেক তরুণই কাজ পায়নি: বিশ্বব্যাংক *** ‘জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি আপস করায় প্রধানমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ করা উচিত’ *** সরকারের প্রশাসক-ভিসি নিয়োগ ‘গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার পরিপন্থী’: জামায়াত *** ‘বিএনপিকে যারা মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড পাবে না’ *** পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী *** চীন কখনো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি: জামায়াত আমির *** প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে মধ্যপ্রাচ্য অগ্রাধিকার পেতে পারে *** ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি নিহত, দাবি ইসরায়েলের *** নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিল আমিরাত

জামায়াতের অতীত অবস্থান সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:০৩ অপরাহ্ন, ৬ই ডিসেম্বর ২০২৫

#

ফাইল ছবি

সংখ্যালঘু রাজনীতি জামায়াতে ইসলামীর কাছে ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘হঠাৎ করে বহুত্ববাদ আর সংখ্যালঘু রাজনীতি তাদের (জামায়াত) কাছে একটা ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজ হয়ে উঠেছে। জামায়াতের সাংগঠনিক নীতিতে প্রার্থী হওয়ার জন্য রুকন হওয়া লাগে। কিন্তু ইসলাম ধর্মাবলম্বী নন, এমন একজনকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, দলের ভেতরে বাস্তবতার চাঁদ আদর্শের ওপর চেপে বসেছে।’ 

খুলনা-১ (দাকোপ-বাটিয়াঘাটা) আসনে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দীকে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামায়াতের রাজনীতির নানা ‍দিক তুলে ধরে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন জিল্লুর রহমান। 

জিল্লুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত নেতারা স্বীকার করেছেন—কিছু এলাকায় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ এটি একদিনের চমক নয়, দীর্ঘদিনের একটি কৌশল। তবে এই কৌশল কতটা টিকবে তা নির্ভর করবে ভোটারদের সংবেদনশীলতার ওপর।’

তিনি আরো বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় পরিচয়কে নিজেদের প্রার্থিতার গায়ে লাগিয়ে নেওয়ার একটা চেষ্টা জামায়াত করছে। কৃষ্ণ নন্দী নিজেও  হঠাৎ আবির্ভূত চরিত্র নন, স্থানীয় ব্যবসায়ী। আগে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ নারায়ণচন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। ২০০৭ সালের পর জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে নেতাকর্মীদের সংকটের সময় পাশে থাকার দাবি করছেন। এই পুরো প্রোফাইলটা খুবই সচেতনভাবে তৈরি করা। নতুন মুখ কিন্তু অচেনা নন।’

জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সব মিলিয়ে তিনি এক ধরনের ব্রিজ ফিগার। প্রশ্ন হলো এই ব্রিজ আসলে কার কার মধ্যে? হিন্দু ভোটার আর জামায়াতের মধ্যে নাকি জামায়াতের অতীত ইমেজ আর ভবিষ্যৎ ক্ষমতার দর কষাকষির জায়গার মধ্যে?’ 

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের ইতিহাস দেখলে প্রথম প্রশ্নের উত্তর তত সহজ হয় না। জামায়াতের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ভূমিকা, এর আগে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং সংখ্যালঘু নির্যাতন প্রশ্নে অতীতের অবস্থান সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি।’

জিল্লুর রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250