শুক্রবার, ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ১৭ বছর নির্বাসনে থাকা ব্যক্তির প্রত্যাবর্তন *** বিএনপিকে অভিনন্দন জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ *** এখন পর্যন্ত এককভাবে বিএনপি বিজয়ী ১৮৪ আসনে, জোটে ১৮৭ *** বাংলাদেশের নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চীনা দূতাবাসের অভিনন্দ। *** ঐতিহাসিক বিজয়ে তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা *** ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ *** তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা, কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন দূতাবাস *** ঢাকা-৯ আসনে জয়ী বিএনপির হাবিবুর রশিদ, স্বতন্ত্র তাসনিম জারা তৃতীয় *** ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা *** বিএনপি প্রার্থীকে অভিনন্দন জানালেন জামায়াতের শিশির মনির

আমের গুটি ঝরা রোধে যা করবেন

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:২৫ অপরাহ্ন, ১৪ই এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

আম চাষিদের জন্য চলতি মৌসুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময় অনেক চাষিকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। এরমধ্যে আমের গুটি ঝরা অন্যতম। আম গাছে গুটি আসার পর নানা কারণে তা ঝরে যায়। তাই এসব কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে হবে।

আম গাছে প্রতি মুকুলে ১-৬ হাজারটি পর্যন্ত পুরুষ ও স্ত্রী ফুল থাকে। তার মধ্যে প্রাথমিকভাবে প্রতি থোকায় জাতভেদে ১-৩০টি গুটি ধরতে দেখা যায়। গুটি আসার ২৫-৫০ দিনের মধ্যে প্রতি থোকায় মাত্র এক-দুটি গুটি থাকে। বাকি গুটি প্রাকৃতিক বা অভ্যন্তরীণ কারণে ঝরে যায়। তবে কোনো কোনো মুকুলে ৪-৫টি আম ধরতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে আমের আকার ছোট হয়।

অতিরিক্ত গুটি ঝরে না পড়লে আমের আকার ছোট হয়। এতে আমের গুণগতমান ও ফলন কমে যায়। প্রতিটি মুকুলে একটি করে গুটি থাকলে আমের বাম্পার ফলন হয়। প্রতি মুকুলে আমের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ফুল ফোটার ১০-২০ দিন পর ২ বার ১০ লিটার পানিতে ৬ গ্রাম হারে বোরিক অ্যাসিড স্প্রে করলে ভালো হয়। এ ছাড়া সব ফুল ফোটা অবস্থায় জিবেরেলিক অ্যাসিড প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিগ্রাম হারে স্প্রে করলে গুটি ঝরা কমে যায়।

মাটিতে রসের অভাব হলেও গুটি ঝরে। মার্চ-এপ্রিল মাসে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় মাটিতে এ অভাব দেখা দেয়। ফলে বোঁটায় তাড়াতাড়ি নির্মোচন স্তর গঠিত হয়। তাই গুটি ঝরে যায়। রসের অভাবে আমের গুটি ঝরে গেলে গাছের চারপাশে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আমের গুটি মটরদানার মতো হলেই প্রথমে একবার গাছের গোড়ায় সেচ দিতে হবে। প্রথম সেচ দেওয়ার পর থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন পরপর সেচ দিতে হবে।

সেচের পাশাপাশি হরমোন প্রয়োগ করেও আমের গুটি ঝরা কমানো যায়। আমের গুটি মটরদানার মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা প্রতি ৪.৫ লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার হারে প্লানোফিক্স হরমোন পানিতে মিশিয়ে হালকা সূর্যের আলোয় আমের গুটিতে স্প্রে করলে গুটি ঝরা কমে যায়।

আরো পড়ুন: এবার ৩০০ কোটি টাকার পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন হবে ফরিদপুরে

গুটি আসার পর প্রাথমিক পর্যায়ে হপার পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ পোকার পূর্ণবয়স্ক মথ ও কিড়া গুটির রস শোষণ করে খায়, ফলে আমের গুটি শুকিয়ে ঝরে যায়। তাই গুটি মটরদানার মতো হলেই কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক একসাথে পানিতে মিশিয়ে গুটিতে স্প্রে করতে হবে।

আবার গুটি মার্বেল আকৃতির হলে ফল ছিদ্রকারী পোকা আক্রমণ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে পূর্ণবয়স্ক পোকা আমের নিচের অংশে খোসার ওপরে ডিম পাড়ে। কয়েক দিনের মধ্যে ডিম ফুটে লার্ভা বের হয় এবং লার্ভা খুব ছোট বিন্দুর মতো ছিদ্র করে আমের ভেতর ঢুকে পড়ে। প্রথমে শাঁস ও পরে আঁটি খাওয়া শুরু করে। পরে আক্রান্ত স্থান কালো হয়ে যায় এবং কোনো কোনো সময় আম ঝরে পড়ে। এ সমস্যা দেখা দিলে আমবাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এমনকি গাছের মরা ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হবে।

এসি/ আই.কে.জে/ 

চাষি আমের গুটি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250