বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

বাঁকা আঙ্গুল রাজনীতিতে বড় বিপদ: রাজ্জাকী

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, ৮ই নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে হলে নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই। আর যদি ব্যক্তি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়, তখন কিছুই হয় না, আল্টিমেটলি দলগুলোকেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই দলে কারা নির্বাচনে বেশি অনাগ্রহী বা বেশি আগ্রহী, এগুলো তাদের ভাষা থেকেই বোঝা যায়—দলের নাম করে বলার প্রয়োজন নেই। তাই এটাও তাদের ব্যাপার।

তিনি বলেন, যদি আপনি দলীয়ভাবে চিন্তা করেন, তারা লড়াই করবে; আর যদি মনে করে দলবিহীন লোকদের বেশি সম্পৃক্ত করতে পারবে, আন্দোলন তাদের পক্ষে তত বেশি শক্তিশালী হবে। বেসরকারি একটি টেলিভিশনে টকশো অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (৬ই নভেম্বর) অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, গত ৫৩ বছরে বাঁকা আঙ্গুল দেখিয়ে প্রক্রিয়াটি চলছে। আমি বাংলাদেশে এটিই দেখেছি।

তিনি বলেন, এখানে যে দলবিহীন জনগণ আছে তাদের ভাষা কোনো রাজনৈতিক দল এখনো বুঝতে পারেনি কিংবা বুঝতে চাননি। রাজ্জাকী বলেন, বাঁকা আঙ্গুল একটি বড় বিপথ। ১৯৯৬ সালে আঙ্গুল সোজা রেখে কোনো ফল হয়নি পরে আঙ্গুল বাঁকা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রূপে অবস্থান বদলেছে। পরে ১/১১ ঘটেছে, যদি আঙ্গুল সোজা থাকতো ওটা আসত না।

তিনি বলেন, এরপর ড. ইউনূস সাহেবের সময় জুলাই অভ্যুত্থানের আঙ্গুলটি সোজা ছিল না; তখন অনেক লোক মারা গিয়েছিল, অন্তত ১৪০০ জন। আঙ্গুল সোজা করে কোনো বড় অর্জন করা যায় না। বাচ্চাও যদি জুতা চায়, নানা অজুহাত দেখানো হয়; তারপর প্রকৃত প্রয়োজন হলে জুতা আসে—এখানেও তেমনই বর্ণনা আছে।

তিনি বলেন, বাঁকা আঙ্গুল রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষতিকর। জামায়াতে ইসলামী যদি বাঁকা আঙ্গুলের কথা বলে, তা ক্ষতিকর কেন? যদি এই প্রক্রিয়া নির্বাচন অস্থির করে এবং নির্বাচন বাতিল হয়। যদিও আমি বলছি না এটা বাতিল হবে। তবে স্বাভাবিকভাবে বাঁকা আঙ্গুলের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিএনপির ওপর এর প্রভাব পড়বে। কারণ নির্বাচনে বিএনপির জয় সুনিশ্চিত।

আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন, বাঁকা আঙ্গুলের যে রেজাল্টটি হচ্ছে, সেটা দেশ ও জনতার জন্য ভালো কিনা, সেটাও দেখতে হবে। যদি দেশের সাধারণ, দলবিহীন জনগণ মনে করে যে এটা রাষ্ট্র ও জনগণের মঙ্গলের জন্য ঠিক, তবে দলহীন লোকগুলো যোগ দিতে পারে; আর যদি দেখে যে বাঁকা আঙ্গুল কাজে আসে না এবং তাদের একটিরও প্রয়োজন নেই—তাহলে দলহীন লোকগুলো যোগ দেবে না। তবে এই বাঁকা আঙ্গুল প্রসঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। কোথায় এটি থামবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।

জে.এস/

আবু হেনা রাজ্জাকী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250