ছবি: সংগৃহীত
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের দেওয়া এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ব্যাখ্যায় ইসি বলছে, সিইসি মূলত তার বক্তব্যে বোঝাতে চেয়েছেন যে ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।
আজ সোমবার রাতে (১৫ই ডিসেম্বর) ইসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে সিইসির বক্তব্যের বিষয়ে ভুল–বোঝাবুঝির অবসান হবে বলে মনে করছে কমিশন।
আজ সকালে তরুণ ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলো কোথায়? একটু মাঝেমধ্যে দু–একটা খুনখারাবি হয়। এই যে হাদির একটা ঘটনা হয়েছে, আমরা এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি। এ ধরনের ঘটনা সব সময়ই ছিল। নির্বাচন এলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকে। বাংলাদেশে এগুলো নতুন কিছু নয়।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এই বক্তব্যের পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানান। এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দাবি করেন। কেউ কেউ তার অপসারণের দাবিও তোলেন। এমতাবস্থায় রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে সিইসির এ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যায় ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সিইসির নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
হাদির ঘটনায় সিইসির নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন বলেছে, শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়েছেন, যার অংশ হিসেবে ১৪ই ডিসেম্বর বিকেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিশন জরুরি সভা করে।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেন।
খবরটি শেয়ার করুন