বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

আফ্রিকায় সাড়ে ৯ হাজার বছর আগে দাহ করা নারীর খোঁজ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩২ অপরাহ্ন, ৯ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

আফ্রিকার দেশ মালাউইতে খোঁজ পাওয়া গেছে উপমহাদেশটির সবচেয়ে প্রাচীন চিতা বা দাহ করার স্থানের। এটি বড় একটি আবিষ্কার। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এত দিন পরও চিতাটিতে দাহ করা এক নারীর শরীরের অংশ পাওয়া গেছে। তিনি জীবিত ছিলেন সাড়ে ৯ হাজার বছর আগে। তথ্যসূত্র: সিএনএন।

মালাউইতে যে স্থানে চিতাটি পাওয়া গেছে, সেটি হোরা পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত। পঞ্চাশের দশক থেকেই স্থানটি বিজ্ঞানীদের নজর কেড়েছিল। সেখানে সবশেষ নতুন করে গবেষণা শুরু করা হয় ২০১৬ সালে। জানা গেছে, ২১ হাজার বছর আগে হোরা পর্বতের পাদদেশের ওই স্থানে মানুষের বসবাস শুরু হয়েছিল।

অতি সম্প্রতি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স অ্যাডভান্সেস-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, চিতায় ওই নারীর হাত ও পায়ের কিছু অংশের হাড় পাওয়া গেছে। তার বয়স ছিল ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। উচ্চতায় ছিলেন ৫ ফুটের সামান্য কম। ওই চিতায় একমাত্র তাকেই দাহ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ওই নারী যে প্রাচীন গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন, তারা শিকার করেই জীবন চালাত। গবেষণা দলের প্রধান ও ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমার সহযোগী অধ্যাপক জেসিকা সেরেজো রোমান বলেন, প্রাচীন শিকারি গোষ্ঠীর মধ্যে মৃতদের দাহ করার প্রথা খুবই বিরল ছিল। কারণ, মরদেহ ভস্মে পরিণত করার জন্য প্রচুর শ্রম, সময় ও জ্বালানির প্রয়োজন।

একটি চিতায় একজনকে দাহ করা, তারপর আবার হাড়ের ওপর পাওয়া কিছু কাটা দাগ কয়েকটি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেমন ওই নারীকে কি পুড়িয়ে ভক্ষণ করা হয়েছিল? তবে বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন নৃবিজ্ঞানী জেসিকা থম্পসন। তিনি বলেন, পাশেই সে সময়কার কিছু পশুর হাড় পাওয়া গেছে। সেগুলো ভক্ষণ করা হয়েছিল। ওই হাড়ের ওপর থাকা কাটা দাগ নারীর হাড়ের চেয়ে ভিন্ন।

আরেকটি অবাক করা বিষয় হলো, দাহ করার স্থানে কোনো দাঁত বা খুলির অংশ পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ দাহ করার আগে ওই নারীর মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। অধ্যাপক জেসিকা সেরেজো রোমান বলেন, মালাউইয়ের প্রাচীন শিকারিদের মধ্যে মৃত্যুর পর শরীরের কোনো অংশ সরিয়ে ফেলা আচার ছিল। সেগুলো হয়তো স্মারক হিসেবে রেখে দেওয়া হতো।

জে.এস/

দাহ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250