বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

বমি হলে কি রোজা ভেঙে যায়?

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০২:৫০ অপরাহ্ন, ৪ঠা মার্চ ২০২৫

#

প্রতীকী ছবি

ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য রমজান মাস সবচেয়ে আনন্দের। এই মাসে সিয়াম পালনসহ বিভিন্ন আমল করে থাকেন ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা। যারা রোজা রাখেন, তাদের অনেকের প্রশ্ন থাকে, বমি হলে কি রোজা ভেঙে যায়?

কেউ যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করেন, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং তাকে কাজা রোজা আদায় করতে হবে। তবে রোজা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি হলেও তা ভাঙবে না, তখন কাজা রোজাও আদায় করতে হবে না। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, مَنْ ذَرَعَهُ القَيْءُ، فَلَيْسَ عَلَيْهِ قَضَاءٌ، وَمَنْ اسْتَقَاءَ عَمْدًا فَلْيَقْضِ.

অর্থ: অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো বমি হয়ে গেলে তার কাজা রোজা আদায় করতে হবে না। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, সে যেন কাযা আদায় করে (অর্থাৎ তার রোযা ভেঙে যাবে) (সুনানে তিরমিজি: ৭২০)।

অনেকের ভুল ধারণা আছে যে, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে তা ভেঙে যাবে এবং তার কাজা রোজা আদায় করতে হবে। অনিচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি হওয়ার পর এ ধারণার কারণে রোজা ভেঙে গেছে বলে মনে করে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু খেয়ে ফেলেন, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তখন তার কাজা রোজা ওয়াজিব হবে। তবে কাফফারা ওয়াজিব হবে না।

ওআ/এইচ.এস

রোজা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250