বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি অযৌক্তিক নয়’ *** শিক্ষকদের বাড়তি বেতনসুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি *** ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৪০০ কারখানা বন্ধ, দেড় লাখ শ্রমিক কর্মহীন’ *** নতুন ‘মাল্টিমিডিয়া বাসে’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার শুরু *** ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জে’র পরিস্থিতি তৈরিতে সুপরিকল্পিত হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প *** শেরপুরে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল, লাঠিসোঁটা জড়ো করল—প্রশ্ন বিএনপির *** ভারতের ফারাক্কার বিপরীতে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের *** ট্রিগারে আঙুল রাখা আছে—ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকির জবাবে ইরান *** শেরপুরের ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে: অন্তর্বর্তী সরকার *** বাপের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করছি, ব্যবসা করতে আসিনি: মির্জা ফখরুল

গোপনাঙ্গ দেখার ঘটনায় কাতার এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে মামলার অধিকার পেলেন অস্ট্রেলিয়ার নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:৪১ অপরাহ্ন, ২৫শে জুলাই ২০২৫

#

প্রতীকী ছবি

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি নবজাতককে প্লাস্টিকে মোড়ানো অবস্থায় টয়লেটের বিনে পাওয়া যায়। এ ঘটনার জেরে পরে কাতার কর্তৃপক্ষ একাধিক ফ্লাইটের অসংখ্য নারীকে জোর করে বিমান থেকে নামিয়ে শারীরিক অনুসন্ধানে বাধ্য করে। এই কর্মকাণ্ডে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছিল।

সেই সময় কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট-৯০৮ থেকে জোর করে নামিয়ে আনা পাঁচ অস্ট্রেলীয় নারীও এই ধরনের অনুসন্ধানের শিকার হয়েছিলেন। এবার তারা সরাসরি কাতার এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার পেলেন।

আজ শুক্রবার (২৫শে জুলাই) দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল কোর্ট আগের একটি রায় উল্টে দিয়ে নারীদের মামলা করার অধিকার নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী নারীদের আইনজীবী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তাদের মক্কেলদের গোপনাঙ্গে জোর করে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যা সম্পূর্ণরূপে ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল অপমানজনক। ভুক্তভোগী এক নারী বলেন, ‘তিনি (দায়িত্বরত কর্মকর্তা) আমাকে প্যান্ট নামাতে বলেন এবং জানান, আমার যৌনাঙ্গ পরীক্ষা করাতে হবে। আমি বাধা দিলে তিনি শুধু বারবার বলছিলেন—দেখতে হবে, দেখতে হবে।’

অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত বিব্রতকর, আপত্তিকর ও উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। প্রায় ১০টি ফ্লাইটের নারী যাত্রীরা এমন অনুসন্ধানের মুখোমুখি হয়েছিলেন বলে জানানো হয়।

প্রথমে মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিলেন বিচারক জন হ্যালি। কারণ, তিনি মনে করেছিলেন, এসব ঘটনা বিমান সংস্থার কর্মীদের দ্বারা ঘটেনি এবং এটি বিমানের বাইরের ঘটনা। কিন্তু আপিল কোর্টে তিন বিচারকের বেঞ্চ জানান, মামলাটি খারিজ করে দেওয়া যথাযথ ছিল না।

আদালত কাতার এয়ারওয়েজ ও বিমানবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মাতারকে মামলার খরচ বহনের নির্দেশ দিয়েছেন। সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির বিরুদ্ধে মামলা এখনো খারিজই থাকছে, তবে মাতারের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন নারী যাত্রীরা।

নারীদের আইনজীবী ড্যামিয়ান স্টারজাকার বলেন, ‘আমাদের মক্কেলরা ওই রাতে দোহায় একটি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। তারা ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য। আদালতের এই রায় তাদের সেই পথেই এগিয়ে দিয়েছে।'

উড়োজাহাজ কাতার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250