বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

বিএনপি নেতা আলমগীরকে গুলি করে হত্যায় অস্ত্রটি তার জামাতাই দিয়েছিলেন

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, ৯ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যার জট খুলেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। নিহত বিএনপির নেতার মেয়ের জামাইয়ের পরিকল্পনা ও তার দেওয়া অস্ত্রেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। হত্যায় জড়িত শুটার ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুকের জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।

গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার (৮ই জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে আদালতে সোপর্দ করলে জবানবন্দি দেন ত্রিদিব চক্রবর্তী। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত বুধবার গভীর রাতে যশোর শহরের বেজপাড়া মন্দিরসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ত্রিদিব বেজপাড়া চিরুনি কল এলাকার পুরোহিত মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে।

যশোর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বিএনপির নেতা আলমগীর হত্যার পর ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রথমে ত্রিদিবকে শনাক্ত করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।

আদালত ও পুলিশ সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে ত্রিদিব হত্যার দায় স্বীকারের পাশাপাশি জানান, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বিএনপির নেতা আলমগীরের ‘মেয়ের জামাই’ পরশ ও প্রতিবেশী সাগর।

তিনি জবানবন্দিতে আরও জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যার আগে প্রিন্স নামের একজন তাকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যান। এরপর পরশ, সাগর, অমিসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে দেখা হয় তার। এরপর কথাবার্তার একপর্যায়ে পরশ তার শ্বশুর আলমগীরকে হত্যার জন্য অস্ত্র ও টাকার জোগান দেন। এরপর সেখান থেকে অমির মোটরসাইকেলে করে বেরিয়ে আলমগীরের পিছু নেন ত্রিদিব এবং তিনি নিজে গুলি করে হত্যাকাণ্ড ঘটান। ওই ঘটনার পর থেকে বাড়িতেই ছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ৩রা জানুয়ারি রাতে নিজ এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত আলমগীরের স্ত্রী শামীমা বাদী হয়ে পরশ, সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর থেকেই ডিবি পুলিশ মূল শুটারকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে।

বিএনপি নেতা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250